নওগাঁ জেলার ২য় দফা রুকন(সদস্য)  সম্মেলন -২০২৪।

 নওগাঁ জেলার ২য় দফা রুকন(সদস্য)  সম্মেলন -২০২৪।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় মেহমান, অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন সাহেব। রুকন সম্মেলনে জেলা আমীরের শপথ গ্রহণ করেন, আঃ খঃ মঃ আব্দুর রাকিব সাহেব। মহান আল্লাহ তায়ালা দ্বীনি কাফেলার সকল সদস্য, কর্মী, সহযোগীদেরকে দ্বীনের পথে কবুল করুন। আমিন।






বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বদলগাছী

 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বদলগাছী ইউনিয়ন শাখা কর্তৃক আয়োজিত রাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।







পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?


নাস্তিক প্রফেসর ক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন, "পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?"

একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।

"তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?"

ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, "সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।"

প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।

ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।

কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, "আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?"

অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- "স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?"???

প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। "কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?"

এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই "ঠান্ডা' শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপের অনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।

কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, "স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?"

প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।

ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।

ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। "স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?"

প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?"

ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, "না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।

পশ্চিমারা কেমন ইসলাম পালনকারী মুসলিম চায়


জীবন যাপনে সঠিক পন্থা আবিস্কার করতে যেয়ে কত মনিষী কত ভাবেই না তা উপস্থাপন করেছেন, তার মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা ও পদ্ধতি হলো ইসলাম। যা বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করাই হলো প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব ও কর্তব্য,  যা পালনে পশ্চিমারা, রাম ও বামের বাধা প্রদান করে আসছে নানা ভাবে, নানান ফাঁদে। তাই একবার একটি খেলনা কবুতর হাতে নিয়ে উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে প্রফেসর ড.নাজমুদ্দিন এরবাকান বললেন, আপনারা কি আমার হাতে এই মৃত কবুতর দেখতে পাচ্ছেন?


জনতা সমস্বরে জবাব দিলো, জি দেখতে পাচ্ছি।

এই কবুতরের কি হাত পা চোখ আছে?

আছে।

এই কবুতরের কি ডানা আছে?

আছে।

এই কবুতর কি উড়তে পারবে?

না।

কেন?

সবাই মুখ চাওয়া-চাওয়ি করল একে অপরের দিকে। বলল, এর তো প্রাণ নেই। উড়বে কীভাবে?

প্রফেসর নাজিমুদ্দিন এরবাকান বললেন, পশ্চিমারা এরকম ইসলাম পালনকারী মুসলিম চায়। তারা চায় খেলনা কবুতরের মত আপনারা নামাজ পড়বেন, তিলাওয়াত করবেন, বিশাল ওয়াজ মাহফিল করবেন কিন্তু প্রাণহীন কবুতরের মত ভেতরে কুরআনের শিক্ষা থাকবেনা, দ্বীনের পথে লড়াইয়ের প্রেরণা থাকবেনা৷
কিছুক্ষণ থেমে আবার বললেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করাটা হচ্ছে ঈমানের প্রাণ। এই প্রাণ না থাকলে মানবতার মুক্তির জন্য কোনো কাজই করা সম্ভব না৷

 ড.নাজমুদ্দিন এরবাকানকে আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন।