নিয়ামতপুরে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার


 নওগাঁ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ হিসাবে পরিচিত  নিয়ামতপুর সরকারি কলেজসহ উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার নেই। 

এতে করে এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের প্রতি আত্ম তৃপ্তি নিয়ে যে শ্রদ্ধা নিবেদন তা করতে পারছেন না। 

গেল কয়েক মাস আগে খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেও আজ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।

 ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি এই ঐতিহাসিক দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায় এবং ২০০০ সাল থেকে পৃথিবীর সব দেশে এ দিবসটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন হয়ে আসছে। 

অথচ রাষ্ট্রভাষা বাংলা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ৬৮ বছর পেরিয়ে গেলেও নিয়ামতপুর উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার।

 এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মনে  বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিন জানা যায়,

 উপজেলা সদরসহ আটটি ইউনিয়নে ২০৪টি সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

এর মধ্যে কলেজ রয়েছে ছয়টি, স্কুলের সঙ্গে কলেজ রয়েছে দুটি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৪৪টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১২৮টি ও মাদ্রাসা রয়েছে ২৬টি।

 শুধু বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাড়া বাকি কলেজগুলোতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি আজও। ৪৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১৪টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে।

 ১২৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯টি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার থাকলেও উপজেলার ২৬টি মাদ্রাসার কোনোটিতেই শহীদ মিনার নির্মিত হয়নি।

 নিয়ামতপুর সদরে প্রতিষ্ঠিত নিয়ামতপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, যা বর্তমানে সরকারি কলেজে রূপান্তরিত। কলেজের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার হলেও এ কলেজে নেই শহীদ মিনার। 

কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের নিজস্ব অর্থে শহীদ মিনার নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। কলেজ যেহেতু সরকারের এখন সরকারের উদ্যোগেই শহীদ মিনার নির্মাণ হবে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়া মারীয়া পেরেরা একজন সুযোগ্য কর্মকর্তা, তিনি  জানান যে,

 উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তথ্য আমাদের হাতে চলে এসেছে, যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই তার একটা তালিকা করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে  পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবেদক: মোঃ শাহাদাত হোসাইন, নিয়ামতপুর উপজেলা

সূত্র:darpontv

নওগাঁয়  শত বলের নতুন ফরম্যাটের ক্রিকেট টুর্নামেন্টটিতে যারা অংশগ্রহণ করেছে


মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা প্রশাসন  ১০০ বলের এই নতুন ফরম্যাটের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছে।  

গত শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল বেলা জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন খেলার উদ্বোধন করেন।


 জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশিদের  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান,

 রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক আব্দুল বাতেন, পুলিশ সুপার (এসপি) আবদুল মান্নান মিয়া সহ আরো অনেকে।


এই টুর্নামেন্টটিতে মোট আটটি দল অংশ নিয়েছে -

১। জেলা প্রশাসন নওগাঁ, 

২। জেলা পুলিশ নওগাঁ,

৩। বিচার বিভাগ,ও 

৪। বিভিন্ন বিভাগ/দপ্তরের সমন্বিত দল, 

৫। নওগাঁ সরকারি ও বিএমসি কলেজ সম্মন্বিত,

৬। জেলা শিক্ষা, 

৭। প্রাথমিক বিভাগ নওগাঁ এবং

৮। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট নওগাঁ উপকেন্দ্র।  


উদ্বোধনী দিনে  জেলা শিক্ষা ও প্রাথমিক বিভাগ নওগাঁ মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট নওগাঁ উপকেন্দ্রের বিপক্ষে একটি ম্যাচ মাঠে গড়ায়। 

এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা আগামী ৫ মার্চ  অনুষ্ঠিত হবে ।  

বদলগাছীতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ‘স’মিল

স্থানীয় প্রতিবেদকঃ হাফিজার রহমান

 

উপজেলায় বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে এই অবৈধ ‘স’মিল।

 ফলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। ‘স’মিলে কাঠ জোগান দিতে গিয়ে উজার হচ্ছে বন বিভাগের সরকারি গাছ।

 এই সব কারণে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বন ও পরিবেশ দপ্তরের তেমন কোন তদারকি ও পদক্ষেপ না থাকায় উজার হচ্ছে বন বিভাগের গাছ।

 সরকার ও বঞ্চিত হচ্ছে মোটা অংকের রাজস্ব থেকে। 

একটি বিশেষ জরিপে জানা যায় উপজেলায় যত্রতত্রভাবে এমন কি প্রধান সড়কের পাশে  বসানো হয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠ ফারার মেশিন। 

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় ৩০-৩৫টি ‘স’মিল রয়েছে এদের নেই কোন বৈধ কাগজ পত্র।

পাহাড়পুর বিষপাড়া অবস্থিত ‘স’মিলের মালিক মিনহাজুল ইসলাম বলেন আমার মিলের লাইসেন্স আছে আমি নবায়ন করে নিয়েছি কিন্ত অনেকের লাইসেন্স নেই তারা অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। 

উপজেলা ‘স’মিল মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন আমাদের সমিতির কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে রয়েছে জন্যয় যার মনে সেই সকাল ৬টা থেকে সন্ধা ৬টা প্রর্যন্ত স,মিল পরিচালনা করার নিয়োম থাকলেও

 কেউ তা মানছে না রাতে আধারে তারা গাছ ফারার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।


 বদলগাছী উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল হাকিম বলেন, উপজেলাতে প্রায় ৩০/৩৫টি ‘স’মিল আছে এর মধ্যৈ ১৫টির বৈধ লাইসেন্স রয়েছে বাকী গুলোর কোন কাগজ পত্র নেই।

 আমি তাদের কাছে নোটিশ করেছি সাড়া না পেলে প্রসাশনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নওগাঁয় স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার দিনব্যাপী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় সকাল সাড়ে ৯ টায় রেজিস্ট্রেশন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর সভাপতিত্বে কর্মশালার কারন, প্রেক্ষাপট ও সরকারের উন্নয়ন বিষয়ক বিভিন্ন পরিকল্পনা বিশ্লেষন করে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাহবুবুর রহমান, বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম আলী বেগ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম,
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই,
প্রকল্প ব্যাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আল হাসিব পরাগ,
এলজিইডি প্রকৌশলী ইমতিয়াজ জাহিরুল,
তথ্য সেবা কর্মকর্তা তানিয়া খন্দকার
প্রমূখ।
উক্ত কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিও প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ক্ষুদ্র ও নৃ-তাত্বিক জনগোষ্ঠির প্রতিনিধি, শ্রমিক ও সূধীজনের সমন্বয়ে গঠিত ৮টি গ্রুপের মাধ্যমে গ্রুপওয়ার্ক বিষয়ক নির্দেশনা বিশ্লেষন ও প্রশ্নত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
আশরাফুল নয়ন
নওগাঁয় ৭৬৭ চালকল মালিক কালো তালিকায়
চাল সরবরাহে সরকারি খাদ্যগুদামের সঙ্গে চুক্তি না হওয়ায় জেলার ৭৬৭টি চালকল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। চলতি বোরো চাল সংগ্রহ মৌসুমে সরকার নির্ধারিত ক্রয়মূল্যের চেয়ে বাজারে ধান-চালের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়। ফলে এসব চালকলের মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করেছে খাদ্য বিভাগ। এসব চালকল মালিক আমন মৌসুমসহ আগামী দুই বছর অর্থ্যাৎ চার মৌসুম সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করতে পারবেন না।
চুক্তিবিহীন চালকল মালিকদের প্রতি সুনজর এবং সরবরাহকৃত চালকল মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বোনাস ব্যবস্থার জন্য সরকারে সুদৃষ্টি কামনা করা হয়েছে।
জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার ১১ উপজেলায় ১ হাজার ১৬৭টি চালকল রয়েছে। এর মধ্যে চলতি বোরো মৌসুমে ৪০০ জন চালকল-মালিক চাল সরবরাহের জন্য খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। অথচ এখন পর্যন্ত চাল সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রা চার ভাগের এক ভাগও অর্জিত হয়নি।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, জেলায় বোরো মৌসুমে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৪২ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন। এ লক্ষ্যে ১ মে থেকে জেলার ১ হাজার ১৬৭টি চালকল মালিককে সরকারি খাদ্যগুদামে চাল সরবরাহ করতে খাদ্য বিভাগের পক্ষ থেকে চুক্তি করতে বলা হয়। চুক্তির শেষ সময় ছিল ২০ মে। এই সময়ের মধ্যে মাত্র ১৬৫ জন চুক্তিবদ্ধ হন। পরে চুক্তির মেয়াদ ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। বর্ধিত সময়ের মধ্যে আরও ২৩৫ জন চুক্তিবদ্ধ হন। মোট ৪০০টি চালকল মালিক ১১ হাজার মেট্রিকটন চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৭শ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগ্রহের শেষ সময় ৩১ আগস্ট হলেও সময় ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সরকার চাল কেনার জন্য প্রতি কেজি সেদ্ধ চালের মূল্য ৩৪ টাকা এবং আতপ চালের মূল্য ৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছে। অথচ খোলা বাজারে সর্বনিম্ন মানের চাল কেজিপ্রতি ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা। চাল উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় চালের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। লোকসান গুনতে হবে ভেবে অধিকাংশ চালকল মালিক খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ হননি। অনেক চালকল মালিক লাইসেন্স টিকিয়ে রাখতে লোকসানের কথা ভেবেই চাল সরবরাহ করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
চালকল মালিকরা মনে করছেন, একই বছরে দেশে দুইবার বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়েছে। ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আর সেজন্যই দফায় দফায় ধান-চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সদর উপজেলার মেসার্স আল-আমিন চালকলের মালিক আব্দুল হাকিম বলেন, প্রতি কেজিতে ৩-৪ টাকা লোকসান করে খাদ্য গুদামে ১০ মেট্রিকটন চাল সরবরাহ করেছেন। ক্ষতি পুশিয়ে নিতে সরকার থেকে যে সুবিধা দেয়ার কথা ছিল তা এখনো দেয়া হয়নি। বোনাসের ব্যবস্থা করা হলে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে বলে মনে করেন।

জেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, কোনো চালকল মালিক নিজের ক্ষতি করে খাদ্য গুদামে চাল দিতে চান না। আর খাদ্য গুদামের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না হওয়ায় চালকল মালিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। জেলা চালকল মালিক সমিতির পক্ষ থেকে মাননীয় খাদ্য মন্ত্রীর কাছে কালো তালিকাভুক্ত অধ্যাদেশ বাতিলের অনুরোধ করেছেন। যাতে আগামীতে সরকারের চাল সংগ্রহ অভিযানে চালকল মালিকরা অংশগ্রহণ করতে পারেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, যেসব চালকল-মালিক চাল সরবরাহে চুক্তি করেননি, তারা আগামী দুই বছর কোনো চুক্তি করতে পারবেন না। আর যারা চুক্তি করেও চাল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হবেন, তারা এক বছর (দুই মৌসুম) চুক্তি করতে পারবেন না।
সূত্র: jagonews24
আব্বাস আলী/এফএ/পিআর